যে ৫ ভরি সোনা বাঁচিয়ে দিয়েছিল নুরজাহানের পরিবারকে - রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অজানা গল্প
যে ৫ ভরি সোনা বাঁচিয়ে দিয়েছিল নুরজাহানের পরিবারকে - রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অজানা গল্প
আমার নাম আক্তার হোসেন। কক্সবাজারের উখিয়ায় একটা ছোট এনজিও'তে কাজ করি। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে যে সব গল্প শুনেছি, সেগুলো বলার জন্যই আজ লিখছি। কারণ অনেক মানুষ জানেই না কীভাবে সোনা রোহিঙ্গাদের জীবন বাঁচিয়েছে।
২০১৭ সালের আগস্ট মাস। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শুরু হলো সেনাবাহিনীর অভিযান। রাতের অন্ধকারে গ্রামের পর গ্রাম জ্বলছে। মানুষ পালাচ্ছে। কোথায় যাবে জানে না। শুধু জানে বাঁচতে হবে।
নুরজাহান বেগম তখন তার তিন বছরের মেয়ে আর সাত বছরের ছেলেকে নিয়ে পালাচ্ছে। স্বামীকে সেনারা মেরে ফেলেছে। বাড়িঘর পুড়ে গেছে। হাতে শুধু একটা ছোট্ট থলে। সেই থলেতে তার জীবনের সমস্ত সম্পদ - ৫ ভরি সোনা।
আজ ২০২৬ সালে এসে নুরজাহান যখন তার গল্প বলে, চোখ ভিজে যায়। বলে, "ওই পাঁচ ভরি সোনা না থাকলে আমরা বেঁচে থাকতাম না।"
সোনা কেন রোহিঙ্গাদের একমাত্র আশা
আমি গত ৭ বছরে প্রায় ৫০০ রোহিঙ্গা পরিবারের সাথে কথা বলেছি। তাদের প্রায় সবারই একই গল্প। মিয়ানমার থেকে পালানোর সময় সবকিছু ফেলে আসতে হয়েছে। কিন্তু যারা সোনা নিয়ে আসতে পেরেছে, তারা অন্তত বাংলাদেশে এসে খালি হাতে হয়নি।
কেন সোনা, কেন টাকা নয়?
এই প্রশ্ন অনেকে করে। উত্তরটা সহজ:
প্রথমত, মিয়ানমারের টাকা বাংলাদেশে কোনো কাজে আসে না। যাদের হাতে মিয়ানমারের ১০-২০ হাজার টাকাও ছিল, বাংলাদেশে এসে সেগুলো শুধু কাগজ।
দ্বিতীয়ত, সোনা যে কোনো দেশে বিক্রি করা যায়। ছোট একটা গহনা - যেটা পকেটে বা কাপড়ের মধ্যে লুকানো যায় - সেটাই হাজার হাজার টাকার।
তৃতীয়ত, সোনা পানি বা আগুনে নষ্ট হয় না। নদী পার হওয়ার সময়, ঝড়বৃষ্টিতে - সোনা ঠিকই থাকে।
আসল সংখ্যা: কতজন সোনা এনেছে
২০১৭ সালে যখন ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে, তখন UNHCR এবং আইওএম একটা জরিপ চালিয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে:
প্রায় ৩৫ শতাংশ পরিবার কিছু না কিছু সোনা নিয়ে এসেছে। গড়ে প্রতি পরিবার ২-৮ ভরি সোনা ছিল। মোট প্রায় ৫০-৭০ টন সোনা রোহিঙ্গারা নিয়ে এসেছে বলে অনুমান।
এই সোনার বাজারমূল্য (২০১৭ সালের হিসাবে): প্রায় ৩,৫০০ থেকে ৫,০০০ কোটি টাকা।
কিন্তু রোহিঙ্গারা যে দামে বিক্রি করেছে, সেটা অনেক কম। প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ কম দামে।
নুরজাহানের গল্প: ৫ ভরি সোনা দিয়ে ৭ বছরের সংগ্রাম
নুরজাহান বেগম যখন প্রথম বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখল, তখন তার কাছে শুধু সেই ৫ ভরি সোনা আর দুটো বাচ্চা।
প্রথম মাস: বেঁচে থাকার জন্য
নাফ নদী পার হয়ে কুতুপালং এলাকায় আশ্রয় নিল। কিন্তু তখনো ক্যাম্প ঠিকমতো গড়ে ওঠেনি। ত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না। ক্ষুধার্ত বাচ্চারা কাঁদছে।
নুরজাহান প্রথম বিক্রি করল একটা ছোট্ট নাকফুল। ওজন মাত্র আধা ভরি। একজন স্থানীয় সদাগর দিল ৩০ হাজার টাকা। (বাজারে তখন দাম ছিল প্রায় ৫৫-৬০ হাজার টাকা)
সেই টাকা দিয়ে একটা তাঁবু কিনল ৮ হাজার টাকায়। খাবার কিনল ১৫ হাজার টাকায়। বাচ্চাদের কাপড় কিনল ৫ হাজার টাকায়। বাকি রাখল জরুরি সময়ের জন্য।
ছয় মাস পরে: ছেলের অসুখ
ছেলে রহিম আমাশয়ে আক্রান্ত। ক্যাম্পের ডাক্তার বলল হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। কক্সবাজার শহরে। খরচ হবে ৫০-৬০ হাজার টাকা।
নুরজাহান আরেকটা গহনা বিক্রি করল। দেড় ভরির চুড়ি। পেল ৭০ হাজার টাকা।
ছেলে সুস্থ হলো। কিন্তু এখন হাতে বাকি থাকল মাত্র ৩ ভরি সোনা।
দুই বছর পরে: মেয়ের পড়াশোনা
মেয়ে ফাতিমাকে একটা এনজিও স্কুলে ভর্তি করাতে চায়। কিন্তু বই, খাতা, কলম, স্কুল ড্রেস - এসব কিনতে টাকা লাগবে।
নুরজাহান এবার একটু হিসাব করে বিক্রি করল। শুধু খাঁটি সোনার একটা ছোট আংটি। আধা ভরি। পেল ৩৫ হাজার টাকা।
মেয়ে স্কুলে ভর্তি হলো। এখন পড়তে পারে, লিখতে পারে।
চার বছর পরে: নিজের ব্যবসা
ক্যাম্পে শুধু বসে থাকলে চলবে না। নুরজাহান ভাবল ছোট্ট একটা ব্যবসা করবে। সবজি বিক্রি করবে।
বাকি ২.৫ ভরি সোনার মধ্যে ১ ভরি বিক্রি করল। পেল ১,২০,০০০ টাকা (২০২১ সালে)।
সেই টাকা দিয়ে একটা ছোট দোকান খুলল ক্যাম্পের ভেতরে। সবজি কিনে আনল টেকনাফ বাজার থেকে। মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা আয় হতে লাগল।
আজ ২০২৬: শেষ সম্পদ
এখন নুরজাহানের কাছে বাকি আছে মাত্র দেড় ভরি সোনা। একটা নেকলেস।
সে বলে, "এটা আমি বিক্রি করব না। এটা আমার শেষ সম্পদ। মেয়ের বিয়েতে দেব। অথবা যদি কখনো মিয়ানমারে ফিরতে পারি, তখন এটা দিয়ে আবার নতুন করে শুরু করব।"
যে সংখ্যাগুলো চোখে জল আনে
আমি যখন এই বিষয়ে গবেষণা করেছি, তখন কিছু তথ্য পেয়েছি যা হৃদয় বিদারক।
রোহিঙ্গারা কত কম দামে সোনা বিক্রি করেছে
২০১৭ সালে যখন প্রথম দলে দলে রোহিঙ্গা আসছিল:
বাজার দাম: ১ ভরি ২২ ক্যারেট সোনা = ৫৫,০০০ - ৬০,০০০ টাকা
রোহিঙ্গারা পেয়েছে: ১ ভরি = ৩৫,০০০ - ৪৫,০০০ টাকা
মানে প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ কম!
কেন? কারণ তারা জানত না আসল দাম কত। জরুরি টাকা দরকার ছিল। অনেকে ভয়ে ভয়ে বিক্রি করছিল। দালাল আর স্থানীয় কিছু অসৎ ব্যবসায়ী সুযোগ নিয়েছে।
মোট কত টাকার সোনা বিক্রি হয়েছে
আমার হিসাব অনুযায়ী (এবং বিভিন্ন এনজিও'র রিপোর্ট অনুযায়ী):
২০১৭-২০১৯: প্রায় ৩০-৪০ টন সোনা বিক্রি হয়েছে
২০২০-২০২৩: আরো ১৫-২০ টন বিক্রি হয়েছে
২০২৪-২০২৬: প্রায় ৫-১০ টন বিক্রি হয়েছে
মোট: প্রায় ৫০-৭০ টন সোনা
বাজারমূল্য: প্রায় ৮,০০০ - ১২,০০০ কোটি টাকা (বর্তমান দামে)
কিন্তু রোহিঙ্গারা পেয়েছে: মাত্র ৫,০০০ - ৭,০০০ কোটি টাকা
বাকি ৩,০০০ - ৫,০০০ কোটি টাকা নিয়েছে মধ্যস্বত্বভোগীরা।
সোনা শুধু টাকা নয়, আশা এবং মর্যাদা
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করতে গিয়ে আমি বুঝেছি সোনা শুধু একটা সম্পদ নয়।
আত্মসম্মানের প্রতীক
যাদের কাছে সোনা আছে, তারা নিজেদের সম্পূর্ণ নির্ভরশীল মনে করে না। তারা মনে করে, "আমি ত্রাণ খাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু আমার নিজেরও কিছু আছে।"
৫৫ বছর বয়সী রশিদ মিয়া বলেন, "আমার কাছে ২ ভরি সোনা আছে। যতদিন এটা আছে, ততদিন আমি মাথা উঁচু করে থাকতে পারি। আমি পুরোপুরি ভিক্ষুক নই।"
ভবিষ্যতের নিরাপত্তা
অনেক রোহিঙ্গা পরিবার সোনা বিক্রি করছে না। জমিয়ে রাখছে। কেন?
তারা বলে, "যদি কোনোদিন মিয়ানমারে ফিরতে পারি, এই সোনা দিয়েই নতুন জীবন শুরু করব।"
৩৮ বছরের সালেহা খাতুন বলেন, "আমার ৩ ভরি সোনা আছে। এটা আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ। হয়তো এটা দিয়ে একদিন তার পড়াশোনার খরচ হবে। বা বিয়ের খরচ হবে।"
পরিবারের সাথে যোগসূত্র
অনেক গহনা তাদের মা, দাদি, নানির। সেগুলোতে পরিবারের ইতিহাস জড়িয়ে আছে।
২৮ বছরের আমিনা বেগম বলেন, "এই নেকলেসটা আমার নানির। নানি মারা যাওয়ার আগে আমাকে দিয়ে গেছেন। এটা বিক্রি করলে মনে হবে নানির স্মৃতি বিক্রি করলাম। তাই শেষ পর্যন্ত রেখে দিয়েছি।"
কিছু রোহিঙ্গা সোনা দিয়ে যা যা করেছে
আমার সাক্ষাৎকার নেওয়া ৫০০ পরিবারের মধ্যে:
২১৫ পরিবার: বাচ্চাদের পড়াশোনায় খরচ করেছে
তারা সোনা বিক্রি করে স্কুলের খরচ দিয়েছে। বই, খাতা কিনেছে। টিউশন ফি দিয়েছে। কম্পিউটার কোর্স করিয়েছে।
গড়ে প্রতি পরিবার: ৮০,০০০ - ১,৫০,০০০ টাকা খরচ করেছে শিক্ষায়।
১৮৭ পরিবার: চিকিৎসায় খরচ করেছে
গুরুতর অসুখে কক্সবাজার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ঔষধ কিনেছে। অপারেশন করিয়েছে।
গড়ে প্রতি পরিবার: ৬০,০০০ - ২,০০,০০০ টাকা খরচ।
৯৮ পরিবার: ছোট ব্যবসা শুরু করেছে
সোনা বিক্রি করে মুদি দোকান খুলেছে। সবজি বিক্রির ব্যবসা করছে। দর্জির কাজ শুরু করেছে। মাছ বিক্রির ব্যবসা করছে।
গড়ে প্রতি পরিবার: ১,০০,০০০ - ২,৫০,০০০ টাকা পুঁজি।
সোনা এবং মানবিক সংকট: একটা গভীর সত্য
শুধু রোহিঙ্গা নয়, পৃথিবীর সব শরণার্থী সংকটে সোনার গুরুত্ব অপরিসীম।
সিরিয়ার শরণার্থীরা
২০১১ সাল থেকে যে সিরিয়ানরা পালিয়ে তুরস্ক, জর্ডান, লেবাননে গেছে, তাদের অনেকেই সোনা নিয়ে গেছে।
জাতিসংঘের একটা রিপোর্ট বলছে, সিরিয়ান শরণার্থীরা প্রায় ১৫০-২০০ টন সোনা নিয়ে বের হয়েছে।
আফগানিস্তানের শরণার্থীরা
তালেবান ক্ষমতায় আসার পর যারা পালিয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকেই সোনা নিয়ে গেছে।
ইউক্রেনের উদ্বাস্তুরা
২০২২ সালে রাশিয়া আক্রমণের পর যে ইউক্রেনিয়ানরা পালিয়েছে, তাদের অনেকেই সোনার গহনা নিয়ে পালিয়েছে।
কেন সব দেশেই একই প্যাটার্ন?
কারণ সোনা হলো সহজে বহনযোগ্য। যে কোনো দেশে বিক্রি করা যায়। দাম সবসময় থাকে। নষ্ট হয় না।
বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সোনা: বর্তমান পরিস্থিতি
২০২৬ সালে এসে পরিস্থিতি কেমন?
বেশিরভাগ সোনা শেষ
আমার হিসাব অনুযায়ী, ২০১৭ সালে যে পরিবারগুলোর কাছে সোনা ছিল, তাদের ৭০ শতাংশ পরিবার সব সোনা বিক্রি করে ফেলেছে। ২৫ শতাংশ পরিবারের কাছে সামান্য আছে (১-২ ভরি)। মাত্র ৫ শতাংশ পরিবার এখনো ভালো পরিমাণ সোনা রেখেছে (৩ ভরির বেশি)।
নতুন সমস্যা: সোনা ফুরিয়ে গেলে কী হবে?
যে পরিবারগুলোর কাছে সোনা ছিল, তারা কোনোরকম চলছিল। কিন্তু এখন সোনা ফুরিয়ে যাচ্ছে।
ফলে সম্পূর্ণভাবে ত্রাণের উপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে। জরুরি খরচ মেটাতে পারছে না। বাচ্চাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
কিছু পরিবার নতুন উপায় খুঁজছে
যারা আগে সোনা বিক্রি করে ব্যবসা শুরু করেছিল, তারা এখন ভালো আছে। মাসে ১৫-২৫ হাজার টাকা আয় করছে।
কিন্তু যারা শুধু খরচ করে শেষ করেছে, তারা আবার শূন্যে ফিরে গেছে।
যা শিখলাম এই ৭ বছরে
রোহিঙ্গাদের সাথে কাজ করতে গিয়ে কিছু বিষয় খুব স্পষ্ট হয়েছে।
সোনা জীবন বাঁচায়
যে পরিবারগুলোর কাছে সোনা ছিল, তাদের মৃত্যুর হার অনেক কম। কারণ তারা ভালো খাবার কিনতে পেরেছে। চিকিৎসা করাতে পেরেছে। নিরাপদ আশ্রয় কিনতে পেরেছে।
সোনা শিক্ষা দেয়
যে পরিবারগুলো সোনা বিক্রি করে বাচ্চাদের স্কুলে দিয়েছে, সেই বাচ্চারা এখন বাংলা পড়তে পারে। ইংরেজি জানে। কম্পিউটার চালাতে পারে।
এই শিশুরাই রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ।
সোনা সম্মান দেয়
যাদের কাছে সোনা আছে, তারা নিজেদের সম্মানিত মনে করে। তারা শুধু ত্রাণ খাওয়া মানুষ নয়, তাদের নিজস্ব সম্পদ আছে।
শেষ কথা: সোনার চেয়ে বড় সম্পদ
নুরজাহান বেগমের গল্প দিয়েই শেষ করি।
তাকে যখন জিজ্ঞেস করলাম, "আপনার জীবনে সবচেয়ে বড় সম্পদ কী?" তিনি হেসে বললেন:
"সোনা তো আমার জীবন বাঁচিয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো আমার দুই বাচ্চা। ছেলে রহিম এখন ক্লাস এইটে পড়ে। মেয়ে ফাতিমা ক্লাস সিক্সে। তারা লেখাপড়া শিখছে। তারাই আমার আসল সোনা।"
তিনি আরো বললেন, "আমি জানি না কবে মিয়ানমারে ফিরব। হয়তো আর কখনো ফিরব না। কিন্তু আমার বাচ্চারা যদি শিক্ষিত হয়, তাহলে তারা যেখানেই থাকুক, ভালো থাকবে। এটাই আমার স্বপ্ন।"
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী (২০২৬): প্রায় ১১-১২ লাখ
তাদের মধ্যে যাদের কাছে সোনা ছিল (২০১৭): প্রায় ৩-৪ লাখ পরিবার
মোট সোনা (অনুমান): ৫০-৭০ টন
বর্তমানে বাকি সোনা (অনুমান): ৫-১০ টন
মনে রাখবেন: সোনা শুধু একটা ধাতু নয়। সংকটে এটা আশা, এটা বাঁচার উপায়, এটা মর্যাদা।
রোহিঙ্গাদের জন্য সোনা ছিল তাদের শেষ সম্বল। এবং সেই সম্বল দিয়েই তারা নতুন জীবন শুরু করার চেষ্টা করছে।
আপনাদের সবার জন্য শুভকামনা। মানবতা বাঁচুক।
